ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা হত্যাচেষ্টা ও মারধরের মামলায় জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালতে উপস্থিত না হওয়া এবং সময়ের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার প্রেক্ষিতে আদালত এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেন।

বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এদিন মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। বাদীপক্ষ আসামির জামিন বাতিলের আবেদন করলে, পরীমনির আইনজীবী অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকার কারণ দেখিয়ে হাজিরা থেকে অব্যাহতি ও সময়ের আবেদন করেন। আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীমনির জামিন বাতিল করেন এবং পরোয়ানা জারি করেন।

বিজ্ঞাপন · inarticle_1

২০২৪ সালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে পরীমনি এবং তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে বাদীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করার পর আদালত পরীমনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন লাভ করেছিলেন। এর আগে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল এবং তখনও পরীমনির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হলে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।