সামিট এলএনজি টার্মিনালের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ থেকে সারা দেশে টানা চার দিন গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। তবে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে যে, গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকার কোনো আশঙ্কা নেই।

বর্তমানে দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, যার ফলে দৈনিক ঘাটতি রয়েছে ১ হাজার ৩০০ এমএমসিএফডি।

বিজ্ঞাপন · inarticle_1

মার্কিন কোম্পানি 'এক্সিলারেট এনার্জি' এবং দেশীয় 'সামিট এলএনজি'র ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে আমদানি করা গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। সামিট এলএনজির রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কম থাকবে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. শোয়েব জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। এর ফলে কিছু কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ অনুভূত হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বলে কিছু গুজব ছড়ালেও পেট্রোবাংলা তা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কোনো সুযোগ নেই এবং গ্রাহকদের আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য কাজ চলছে, তবে গ্যাস পুরোপুরি লাইনে না আসা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট সময় বলা কিছুটা কঠিন। সরকার গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।